BCS WRITTEN EXAM MARKING SYSTEM

BCS WRITTEN EXAM MARKING SYSTEM, BCS WRITTEN EXAM MARKING 2019, BCS WRITTEN EXAM SYSTEM, BCS WRITTEN EXAM SUGGESTION, WWW.BPSC.GOV.BD.

40TH BCS WRITTEN EXAM MARKING SYSTEM 2019. PSC, JSC, SSC, HSC, National University and all job exam result we publish in our website resultpediabd.com. All Job circular and exam result every visitor can get here easily and faster than any other site. Our result pedia bd team always give here a great service for you so don’t miss our service. 

Bangladeshi every job applicant cannot find out their job exam information so we give them an extra possibility for it. Result Pedia BD warmly wishing welcome every visitor on our site and try to solve every problem of Bangladeshi regular job applicant. We always try to give here a clear image so it gives you a great reading quality. Result pedia bd in one of the most popular site of Bangladesh for job circular and exam result.

Written Exam Preparation

সুত্রঃ কালের কন্ঠ

♦ বাংলা

১. ব্যাকরণ : আগের বছরগুলোর প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, প্রায় প্রতিবছরই শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া, বাংলা একাডেমির বাংলা বানানের নিয়ম, বাক্য শুদ্ধি, বাক্য রূপান্তর ও প্রবাদের অর্থ নিয়ে প্রশ্ন হয়েছে। একটু পরিশ্রম করলে এই অংশে গণিতের মতো ৩০-এ ৩০ পাওয়া সম্ভব। ব্যাকরণের জন্য গাইড বইয়ের পাশাপাশি নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ বই, প্রবাদের জন্য সমর পালের ‘প্রবাদের উৎস সন্ধান’ বইটি দেখতে পারেন।

২. ভাব-সম্প্রসারণ : বিগত চারটি বিসিএস প্রশ্নে দেখা গেছে, প্রচলিত দুটি ভাব-সম্প্রসারণ থেকে যেকোনো একটি লিখতে বলা হয়েছে। ভাব-সম্প্রসারণের বেলায় বেশির ভাগ পরীক্ষার্থীই গতানুগতিকভাবে লিখেন। এ অংশের নম্বর যেহেতু ২০, তাই লেখাটা অন্যদের চেয়ে স্বতন্ত্র করার চেষ্টা করুন। লেখার শুরুটা যেন ভালো হয়। আর সম্প্রসারণ অংশে বিশ্লেষণাত্মকের চেয়ে গবেষণাধর্মী সাহিত্য লেখার চেষ্টা করবেন।

৩. সারাংশ/সারমর্ম : এ অংশে ২০ নম্বর। ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় সময় পাবেন মোট চার ঘণ্টা অর্থাৎ প্রতি নম্বরের জন্য গড় সময় ১.২ মিনিট। সে হিসাবে সারমর্ম/সারাংশ লেখার জন্য সময় থাকছে ২৪ মিনিট। অথচ এই অংশে তিন-চার লাইন লিখতে হয়। তাই ভেবেচিন্তে লিখুন।

৪. সাহিত্যবিষয়ক প্রশ্নের উত্তর : প্রিলিমিনারির প্রস্তুতি এ ক্ষেত্রে কিছুটা কাজে দেবে। এখানেও ব্যাকরণের মতো পুরো নম্বর তোলা সম্ভব। তবে  যেহেতু এখানে ১০টি প্রশ্নের ১০টিই দিতে হবে, তাই প্রস্তুতিতে সাবধানী হোন। বাংলা সাহিত্যের খুঁটিনাটি বিষয়গুলো একবার হলেও চোখ বুলিয়ে নিন। গাইড বইয়ের পাশাপাশি সময় পেলে হুমায়ুন আজাদের লাল নীল দীপাবলী, মাহবুবুল আলমের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, সৌমিত্র শেখরের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা বইগুলো দেখতে পারেন।

৫. অনুবাদ : বিসিএস লিখিত পরীক্ষার ৯০০ নম্বরের মধ্যে ইংরেজি থেকে বাংলা (১৫+২৫) এবং বাংলা থেকে ইংরেজি (২৫) মিলিয়ে ৬৫ নম্বর অনুবাদের জন্য বরাদ্দ। বিগত বিসিএস পরীক্ষায় যে অনুবাদগুলো এসেছে, সেগুলো মোটেই সহজ ছিল না। তাই অনুবাদচর্চায় বাড়তি প্রস্তুতি নিতে হবে। অনুবাদ করার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদে জোর দিতে হবে। অনুবাদের কথাগুলো সুমিষ্ট করতে অনুবাদের সময় একটি লাইন ভেঙে দুটি বা দুটি লাইন জোড়া দিয়ে একটি করতে পারেন। এর জন্য অনলাইন সংবাদপত্রের ইংরেজি-বাংলা সংস্করণগুলো দেখতে পারেন।

৬. কাল্পনিক সংলাপ : গাইড বই থেকে কাল্পনিক সংলাপের কতগুলো নমুনা উত্তর দেখে নেবেন। সাম্প্রতিক সময়ের টপিকগুলো নিয়ে কাল্পনিক সংলাপ আসতে পারে। কাল্পনিক সংলাপ লেখার সময় কল্পনা করবেন—আপনি কারো সঙ্গে কথা বলছেন। তাহলে লেখায় সত্যিকারের অনুভূতি ফুটে উঠবে।

৭. পত্র লিখন : হায়াৎ মামুদের ‘ভাষা শিক্ষা’ বা সৌমিত্র শেখরের ‘দর্পণ’ থেকে ব্যক্তিগত পত্র, সংবাদপত্রে প্রকাশের পত্র, আবেদনপত্রসহ বিভিন্ন পত্রের ফরম্যাট দেখে নেবেন। বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণে দেখা যায়, সংবাদপত্রে প্রকাশের পত্র প্রতিবছর আসে। তাই পত্রিকায় পত্র লেখার চর্চায় গুরুত্ব দিতে হবে।

৮. গ্রন্থ সমালোচনা : গ্রন্থ সমালোচনার জন্য আসার মতো উপযোগী বইগুলোর রিভিউ চোখ বুলিয়ে নেবেন, বিভিন্ন গাইড বই বিশ্লেষণ করে গ্রন্থ সমালোচনার জন্য নিজের মনের মতো একটি সেরা ফরম্যাট তৈরি করে নেবেন। এর মাধ্যমে গ্রন্থ সমালোচনার ক্ষেত্রে আপনার সাহিত্যবোধ ফুটে উঠবে। তাই সাহিত্যরসযুক্ত কমন কিছু বাক্য আগে থেকেই তৈরি করে রাখবেন, যাতে যেকোনো গ্রন্থ সমালোচনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায়। বিষয়বস্তুর অভিনবত্ব, চরিত্র সৃষ্টির দক্ষতা, গল্প বলার সাবলীলতা, ঘটনার সন্নিবেশ, পরিবেশ রচনা, ভাষা নির্মাণ—প্রতিটি বিষয় নিয়েই আলোচনা করবেন। বাংলাদেশের ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক বইগুলো থেকেই প্রতিবছর গ্রন্থ সমালোচনা চাওয়া হয়। এর জন্য মোহসীনা নাজিলার ‘শীকর’, মফিজুল ইসলাম মিলনের গ্রন্থ সমালোচনা বই ‘অগ্রদূত’ দেখতে পারেন।

৯. রচনা : রচনায় ৪০ নম্বর বরাদ্দ। তাই স্কুলজীবনের গতানুগতিক রচনা থেকে বের হয়ে তথ্য-উপাত্তসমৃদ্ধ রচনা তৈরি করতে হবে, যেন একটি গবেষণামূলক প্রতিবেদন হয়ে ওঠে।

পরীক্ষার শেষের দিকে লেখা হয় বলে অনেক পরীক্ষার্থীই রচনা সম্পূর্ণ করতে পারেন না। তাই যে রচনাই লিখুন, প্রথমেই একটি ফরম্যাট তৈরি করবেন, পয়েন্টগুলো রাফ করে নেবেন। কোন পয়েন্টে কী কী তথ্য-চিত্র থাকবে তারও খসড়া করে ফেলবেন। একটি কবিতার পঙক্তি বা গবেষণা উক্তি দিয়ে রচনা শুরু হতে পারে। যেমন—ভাষা আন্দোলনের রচনায় আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর ‘মাগো, ওরা বলে’ কবিতার কিছু অংশ।

রচনার জন্য বিভিন্ন বই থেকে বাংলাদেশের সামাজিক সমস্যা, সরকারের সফলতা, পরিবেশ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক টপিকগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বাংলা ও ইংরেজি রচনা বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির সঙ্গে মিলিয়ে পড়লে সুবিধা হবে।

 

♦ ইংরেজি

Reading Comprehension : বর্তমানে প্রতিটি বিসিএসেই কঠিন Comprehension আসছে। এর জন্য ইংরেজি সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়, মতামত নিয়মিত পড়বেন। বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে Comprehension test চর্চা করতে পারলে ভালো হয়। Answering question অংশে ১০টি প্রশ্নে ৩০ নম্বর বরাদ্দ থাকে। প্রশ্নগুলোর উত্তর করার সময় লক্ষ রাখতে হবে, যেন কম্প্রিহেনশন থেকে হুবহু মিলে না যায়।

কম্প্রিহেনশন উত্তর করার সবচেয়ে ভালো কৌশল হচ্ছে—আগে প্রশ্নগুলো পড়ে তারপর কম্প্রিহেনশন রিডিং পড়া। আর গ্রামার অংশে কম্প্রিহেনশন থেকে Synonym, Changing parts of speech, Sentence making, Joining Sentences প্রতিবারই পরীক্ষায় আসছে।

Summary : ২০ নম্বরের জন্য ১০০ শব্দের একটি সামারি লিখতে হয়। ১০০ শব্দ মানেই যে কমবেশি হওয়া যাবে না, এমনটি নয়। মূল কম্প্রিহেনশনটি কয়েকবার পড়ুন, কৌশল হিসেবে কম্প্রিহেনশনের বাক্যগুলোর Synonym ব্যবহার করে বাক্য রিমেইক করতে পারবেন। তবে বাক্যের সংখ্যা কমানোর জন্য অবশ্যই লিংকিং ওয়ার্ড ব্যবহার করবেন।

Letter to Editor : এই অংশ অনেকটাই ফরম্যাটনির্ভর। ফরম্যাট ঠিক থাকলেই নম্বর পাবেন। Letter to Editor-এর ‘টপিক’ কম্প্রিহেনশনের সঙ্গে মিল থাকতে পারে, আবার না-ও থাকতে পারে। যেকোনো গাইড বই থেকে এই অংশটি চর্চা করতে পারেন।

Translation : ইংরেজি থেকে বাংলা এবং বাংলা থেকে ইংরেজি মিলিয়ে ৫০ নম্বরের (২৫+২৫) প্রশ্ন থাকবে। বাংলা বিষয়ের অনুবাদের মতো ইংরেজি বিষয়ের অনুবাদও কঠিন হবে। ভাবানুবাদে দক্ষ হতে হবে। বাংলা বিষয়ের অনুবাদের মতো করেই এর প্রস্তুতি নেবেন।

Essay : ৫০ নম্বরের জন্য ১০০০ শব্দের একটি Essay লিখতে হবে।

প্রথমেই রচনার পয়েন্টগুলো রাফ করে নেবেন, কোন পয়েন্টে কী কী তথ্য-চিত্র থাকবে তারও খসড়া করে রাখুন।

একটি কবিতার পঙক্তি বা উক্তি দিয়ে রচনা শুরু হতে পারে। যেমন—Climate Chanage-সংক্রান্ত রচনার শুরুতে ‘When the last tree is cut down, the last fish eaten and the last stream poisoned, we will realize that we cannot eat money.’ উক্তিটি লিখতে পারেন। রচনার কোটেশনে লেখকের নাম, পত্রিকার কলাম ও সম্পাদকীয়র ক্ষেত্রে পত্রিকার নাম ও তারিখ, বিভিন্ন সংস্থার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট, সংবিধানের সংশ্লিষ্ট ধারা, অন্যান্য প্রাসঙ্গিক রেফারেন্স অবশ্যই উল্লেখ করবেন।

রচনার জন্য বাংলাদেশের সামাজিক সমস্যা, সরকারের সফলতা, পরিবেশবিষয়ক টপিকগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ইংরেজি রচনার প্রস্তুতি নিতে নিয়মিত ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং অনুশীলন করুন। লেখার মান উন্নত করতে কমন শব্দগুলো বারবার ব্যবহার না করে Synonym ব্যবহার করতে পারেন।

 

বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক পরামর্শ

সামনে ৪০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা। ২০ হাজারেরও বেশি প্রার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেবেন। কাঙ্ক্ষিত ক্যাডার পেতে হলে লিখিত পরীক্ষায় বেশি নম্বর তোলার চেষ্টা করতে হবে। নিয়ম মেনে ঠিকঠাক এগোলেই লিখিত পরীক্ষায় ভালো করা কঠিন কিছু নয়। প্রার্থীদের জন্য পরীক্ষায় ভালো করার এক ডজন পরামর্শ দিয়েছেন ৩৫তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার রবিউল আলম লুইপা

বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির শুরুতেই যে বিষয়গুলো লক্ষ রাখতে হবে—

১. প্রথমেই বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস থেকে ছয়টি বিষয়ের নম্বর বণ্টন ও বিষয়ভিত্তিক টপিকগুলো চোখ বুলিয়ে নিন। সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) ওয়েবসাইট (www.bpsc.gov.bd) থেকে লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস (৩৫তম বিসিএসের সিলেবাসই এখন পর্যন্ত চলছে, এরপর আর নতুন সিলেবাস হালনাগাদ হয়নি) ডাউনলোড করতে পারবেন।

২. এক বা দুই সেট যেকোনো প্রকাশনীর গাইড বই দেখে সিলেবাসের বিষয়ভিত্তিক টপিকগুলো ক্লিয়ার করে নিতে পারেন। শিক্ষাজীবনের বিভিন্ন স্তরের পাঠ্যবই ও রেফারেন্স বইগুলো মিলিয়ে গাইড বই লিখা হয়। তিন-চার মাসে বা অল্প সময়ে লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে এটি সহায়ক হবে।

মৌলিক প্রস্তুতির জন্য যে বইগুলো সহায়ক হবে—

♦          বাংলা, বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক—এই তিন বিষয়ের জন্য অ্যাসিওরেন্স বা প্রফেসরস প্রকাশনীর বই।

♦          ইংরেজির জন্য অ্যাসিওরেন্স বা মিলারস পাবলিকেশন্সের বই।

♦          গণিত ও বিজ্ঞানের জন্য ওরাকল প্রকাশনীর বই।

♦          আরিফ খানের সংবিধানের ব্যাখ্যামূলক বই, মো. আব্দুল হালিমের সংবিধানসংক্রান্ত বই এবং মুক্তিযুদ্ধের জন্য ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিবৃত্ত’ বইটি নিতে পারেন।

♦          বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা (চলতি বছর), দৈনিক সংবাদপত্র ও অন্যান্য বিষয়-সংশ্লিষ্ট রেফারেন্স বই থেকে যত বেশি তথ্য-উপাত্ত নিতে পারবেন, আপনার লেখা ততই সমৃদ্ধ হবে।

৩. প্রতিটি বিষয়ের গাইড বই পড়া শেষ হলে অন্যান্য টেক্সট বা রেফারেন্স বইয়ে মন দিন। এরপর নিজের লেখার মানকে উন্নত করতে টপিক-সংশ্লিষ্ট গ্রাফ, চার্ট, উক্তি, রেফারেন্স যাতে যুক্ত করা যায়, সেভাবে প্রস্তুতি নিন।

৪. সিলেবাসের বড় পরিসর দেখে হাল ছেড়ে দেবেন না। পুরো সিলেবাস ৫০-৬০ দিনে ভাগ করে একদিক থেকে পড়া শুরু করুন। বিগত চারটি বিসিএস পরীক্ষা বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফলের পর লিখিত পরীক্ষার জন্য কমপক্ষে তিন মাস সময় পাওয়া যায়। প্রতিদিন সে অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে পড়তে থাকুন।

৫. প্রিলির মতো লিখিত পরীক্ষার বেলায়ও বিভিন্ন প্রকাশনীর ডাইজেস্ট বের হয়। লিখিত প্রস্তুতির শেষের দিকে ডাইজেস্টের প্রশ্নগুলোর ওপর চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন, বিশেষ করে যেসব ঘটনা সম্প্রতি ঘটে গেছে। তবে ডাইজেস্টকে বাড়তি গুরুত্ব দিতে গিয়ে যেন গুরুত্বপূর্ণ অন্য বিষয়গুলো ছুটে না যায়!

৬. ইংরেজি, গাণিতিক যুক্তি এবং সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ওপর জোর দিলে তুলনামূলক বেশি নম্বর পেয়ে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকা সম্ভব হবে। অন্য বিষয়গুলোতে প্রায় সবার নম্বর মোটামুটি কাছাকাছি থাকে। লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্রে বাংলা ভার্সনের পরিবর্তে ইংরেজি ভার্সনের ব্যবহার আপনার দক্ষতা ফুটিয়ে তুলবে এবং ভালো নম্বর পেতে সহায়ক হবে।

৭. ইংরেজির প্রস্তুতিতে নিয়মিত ফ্রি-হ্যান্ড রাইটিং অনুশীলন করবেন। এর পর একজন ইংরেজি এক্সপার্টকে দিয়ে যাচাই করিয়ে নিতে পারলে ভালো হয়। দৈনিক সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় অংশের পাশাপাশি অনলাইন নিউজ পোর্টালের বাংলা ও ইংরেজি খবর দেখে অনুবাদ চর্চা করতে পারেন।

৮. উত্তরপত্রে আপনার লেখা হতে হবে তথ্যবহুল। যেমন—একটি বিষয়ের গুরুত্ব আলোচনা করার সময় স্কুল-কলেজ লেভেলের মতো গতানুগতিকভাবে না লিখে অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, আন্তর্জাতিক গুরুত্বগুলো গবেষণাধর্মী তথ্য, উপাত্ত ও উদ্ধৃতির মাধ্যমে ব্যাখ্যা করতে হবে।

৯. লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে আপনার জ্ঞানের চেয়ে সৃজনশীলতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। তাই যত বই বা সূত্র থেকে যত বিশেষভাবে তথ্য উপস্থাপন করতে পারবেন, প্রতিযোগিতায় আপনি ততই এগিয়ে থাকবেন।

১০. প্রেজেন্টেশনের জন্য কালো কালির পাশাপাশি কোটেশন লিখতে নীল কালি ব্যবহার করতে পারেন; স্কেলিং, গ্রাফ, চার্ট অবশ্যই পেনসিল দিয়ে করবেন। হাতের লেখা সুন্দর হলে ভালো, না হলে উত্তরপত্র পরিপাটি রাখার চেষ্টা করবেন।

১১. লিখিত পরীক্ষায় ‘সময় বণ্টন’ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ২০০ নম্বরের পরীক্ষায় প্রতি নম্বরের জন্য ১.২০ মিনিট এবং ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় প্রতি নম্বরের জন্য ১.৮০ মিনিট করে সময় পাবেন। এভাবেই প্রতিটি প্রশ্নের নম্বরের দিকে লক্ষ রেখে তার জন্য সময় বরাদ্দ করবেন।

১২. বাসায় বসে কিংবা কোনো কোচিংয়ে নিয়মিত মডেল টেস্ট দিয়ে হাতের লেখার গতি বাড়ান। আপনি কতটুকু পড়লেন বা জানলেন তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে—আপনি কতটুকু লিখতে পারলেন। লিখিত পরীক্ষায় পাঁচ দিনে ২১ ঘণ্টা লিখতে হয়। বুঝতেই পারছেন, ফাস্ট হ্যান্ড রাইটিং এবং শারীরিক সক্ষমতা কতটা দরকার

 

 

BCS WRITTEN EXAM MARKING SYSTEM


বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় পাস নির্ধারণ হয় কীভাবে?

প্রকাশিত হয়েছে ৪০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল। এখন লিখিত পরীক্ষার পালা। বিসিএস পরীক্ষায় তিন ক্যাটাগরিতে আবেদন করা যায়। জেনারেল ক্যাডার, টেকনিক্যাল ক্যাডার, বোথ ক্যাডার। আবেদন করার সময় আপনি যদি জেনারেল ক্যাডারে আবেদন করে থাকেন, তাহলে আপনাকে মোট ৯০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। জেনারেল ক্যাডারে যে ছয়টি বিষয়ের ওপর ৯০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে তা নিম্নরূপ।১। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
২। ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি = ১০০ নম্বরপ্রতিটি ২০০ নম্বরের পরীক্ষার সময় ৪ ঘণ্টা এবং প্রতিটি ১০০ নম্বরের পরীক্ষার সময় ৩ ঘণ্টা। প্রতিটি বিষয়ে পাশ নম্বর ৫০%। মজার বিষয় হলো, প্রতিটি বিষয়ে ৫০% মার্ক না পেলেও আপনি লিখিত পরীক্ষায় পাস করবেন। কীভাবে? ৯০০ নম্বরের মধ্যে সব বিষয় মিলিয়ে ৪৫০ নম্বর পেলেই আপনি ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।তবে প্রতিটি বিষয়ে ন্যূনতম ৩০% অর্থাৎ আপনাকে ২০০ নম্বরের পরীক্ষায় ন্যূনতম ৬০ নম্বর এবং ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ন্যূনতম ৩০ নম্বর পেতে হবে। এখন কথা হলো, কেউ যদি কোনো বিষয়ে ৩০% এর কম পান তাহলে তিনি কি ফেল করবেন? না, তিনি ফেল করবেন না। যে বিষয়ে তিনি ৩০% এর কম নম্বর পাবেন সেই বিষয়ের কোন নম্বর ওনার মোট নম্বরের সঙ্গে যোগ হবে না। মনে করুন, কোনো পরীক্ষার্থী সাধারণ বিজ্ঞান পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ২৯ নম্বর পেলেন, তাহলে ওনার এই নম্বর বাকি পাঁচটা বিষয়ের মোট নম্বরের সঙ্গে যোগ হবে না। ফলে সাধারণ বিজ্ঞানের এই ২৯ নম্বর বাদেই যদি পরীক্ষার্থী বাকি পাঁচটা বিষয়ে ন্যূনতম ৪৫০ নম্বর পান, তাহলে তিনি ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।

আপনি যদি টেকনিক্যাল ক্যাডারে আবেদন করে থাকেন, তাহলেও আপনাকে মোট ৯০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। টেকনিক্যাল ক্যাডারে যে ছয়টি বিষয়ের ওপর ৯০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে তা নিম্নরূপ।

১। বাংলা প্রথম পত্র= ১০০ নম্বর
২। ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। স্নাতকে পঠিত বিষয়= ২০০ নম্বর

টেকনিক্যাল ক্যাডারেও ৯০০ নম্বরের মধ্যে সব বিষয় মিলিয়ে ৪৫০ নম্বর পেলেই আপনি ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন। তাছাড়া জেনারেল ক্যাডারের জন্য যেসব নিয়ম প্রযোজ্য, টেকনিক্যাল ক্যাডারের জন্যও একই নিয়ম প্রযোজ্য।

আপনি যদি উভয় (জেনারেল ও টেকনিক্যাল) ক্যাডারের জন্য আবেদন করে থাকেন, তাহলে আপনাকে মোট ১১০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। বোথ ক্যাডারে যে সাতটি বিষয়ের ওপর ১১০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে তা নিম্নরূপ।

১। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
২। ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি= ১০০ নম্বর 
৭। স্নাতকে পঠিত বিষয়= ২০০ নম্বর

এখন কথা হলো, যারা শুধু জেনারেল বা টেকনিক্যাল ক্যাডারের জন্য পরীক্ষা দেবেন, তাঁরা ৯০০ নম্বরের পরীক্ষা দেবেন এবং ৪৫০ নম্বর পেলেই ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন। কিন্তু বোথ ক্যাডারদের তো ১১০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে সে ক্ষেত্রে তাদের পাস নম্বর কত হবে?

বোথ ক্যাডারের ক্ষেত্রে প্রথমে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর ৯০০ নম্বর বিবেচনায় নেওয়া হবে। এই ৯০০ নম্বরের মধ্যে প্রার্থী যদি ৪৫০ নম্বর পান, তাহলে তিনি জেনারেল ক্যাডারে ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।

১। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
২। ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি= ১০০ নম্বর

এরপর উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলোর মধ্যে থেকে বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মোট ২০০ (১০০+১০০) নম্বর বাদ দিয়ে এগুলোর পরিবর্তে স্নাতক পর্যায়ে পঠিত বিষয়ের ২০০ নম্বর যোগ করুন। এবার নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর ৯০০ নম্বরের মধ্যে প্রার্থী যদি ৪৫০ পান, তাহলে তিনি টেকনিক্যাল ক্যাডারের ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।

১। বাংলা প্রথম পত্র= ১০০ নম্বর
২। ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৩। বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (১০০+১০০)= ২০০ নম্বর
৪। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ১০০ নম্বর
৫। গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা (৫০+৫০)= ১০০ নম্বর
৬। স্নাতকে পঠিত বিষয়= ২০০ নম্বর

এভাবে যদি তিনি একই সঙ্গে জেনারেল ক্যাডার এবং টেকনিক্যাল ক্যাডারে ভাইভার জন্য নির্বাচিত হোন, তাহলে তিনি বোথ ক্যাডারে ভাইভার জন্য নির্বাচিত হবেন।

বোথ ক্যাডারে আবেদন করে ১১০০ নম্বরের পরীক্ষা দিয়ে টেকনিক্যাল পরীক্ষায় (স্নাতকে পঠিত বিষয়) ফেল করলেও আপনার মোট নম্বর যদি ৫৫০ নম্বর হয়, তাহলে আপনি বোথ ক্যাডারেই পাস করবেন। আর ৪৫০ নম্বর হলে শুধু জেনারেল ক্যাডারে পাস করবেন। এভাবে বোথ ক্যাডারে আবেদন করে শুধু টেকনিক্যাল ক্যাডারেও পাস আসা সম্ভব। তবে একটা কথা মনে রাখবেন, সব পরীক্ষায় আপনাকে উপস্থিতি নিশ্চিত করতেই হবে।

লেখক: বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে কর্মরত

 WE WARMLY WISHING WELCOME EVERY VISITOR IN OUR SITE STAY WITH US FOR NEWS UPDATE.

WE POST HERE ALL OF THE JOB CIRCULAR, JOB EXAM DATE, ADMIT CARD DOWNLOAD LINK AND IMPORTANT NEWS, WE REMAIN IT’S VERY ESSENTIAL FOR YOU SO IF YOU REMAIN THIS SITE HELP YOU BROADLY CAN VISIT FOR NEWS UPDATE. FOR MORE INFORMATION ANY JOB CIRCULAR IN BANGLADESH CAN ALL US OR CONTACT WITH US IN FACEBOOK GROUP OR TWITTER. OUR ADMIN ALWAYS STAY WITH YOU TO SOLVE THIS PROBLEM.